রবিবার, ১৬ Jun ২০১৯, ০৫:২৬ অপরাহ্ন


জমি সংক্রান্ত ঝামেলার কারনে অন্তঃসত্ত্বা কলেজছাত্রীকে নির্মম ভাবে নির্যাতন করা হয়েছে। ঘটনাটি শেরপুরের নকলায় ঘটেছে।

জানা যায়, শফিউল্লাহর সাথে তার ভাই আবু সালেহ, নেছার উদ্দিন ও সলিম উল্লাহর এক খণ্ড জমি নিয়ে বেশ কিছুদিন যাবত বিরধ চলছিল। গত ১০ মে শফিউল্লাহর ভাইরা তার জমির ইরি-বোরো ধান লাঠিসোটা নিয়ে কাটতে শুরু করে। কিন্তু এমতাবস্থায়
শফিউল্লাহর স্ত্রী ছিতকার করে বাঁধা দিতে গেলে এক পর্যায়ে তার চোখে মুখে মরিচের গুড়া ছিটিয়ে দিয়ে তাকে টানাহেঁচড়া করে পাশের ক্ষেতের আইলের থাকা গাছের সঙ্গে বেঁধে ফেলে। পরে পাশের অন্য গাছের সঙ্গে টানা দিয়ে বেঁধে ফেলে তার দুই পা।নির্যাতনে ডলি খানমের রক্তক্ষরণ শুরু হয়। নির্যাতনের কারণে তার গর্ভের সন্তান নষ্ট হয়ে গেছে।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে শফিউল্লাহর স্ত্রী ডলি খানমকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠায়। সেখানে ৭ দিন তাকে চিকিৎসা দেওয়া হয় । কিন্তু তার অবস্থার কোন উন্নতি না হওয়ায় তাকে জেলা সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানেও তার ৭ দিন চিকিৎসা চলে। কিন্তু অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের ফলে নস্ত হয়ে যায় তার গর্ভের সন্তান।

গত মঙ্গলবার বিকেলে শফিউল্লাহ থানায় এই ব্যাপারে অভিযোগ দায়ের করেন এবং বলেন, এমন বর্বর নির্যাতনের পরও তারা আজ বুক ফুলিয়ে ঘুরছে। আর আমি অসহায়। এজন্য আমি ঘটনার উপযুক্ত বিচার চাই।

এই ব্যাপারে নকলা থানার ওসি কাজী শাহনেওয়াজ বলেন, জমি-জমার বিষয় নিয়ে ভাই-ভাইদের মধ্যে বিরোধ ও দাঙ্গা-হাঙ্গামার আশঙ্কার খবর পেয়ে পুলিশ পাঠিয়ে দুপক্ষকেই শান্ত করা হয়েছিল। গৃহবধূকে নির্যাতনের বিষয়ে কোনো অভিযোগ না পাওয়ায় ব্যবস্থা নেয়া সম্ভব হয়নি।

আরও পড়ুন