সোমবার, ১৮ নভেম্বর ২০১৯, ০৮:২৫ পূর্বাহ্ন


শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যান নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলনের চেয়ারম্যান (নিসচা) ও চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন নিজের বৈধ পিস্তল নিয়ে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে চট্টগ্রামের উদ্দেশে যাত্রা করছিলেন।

মঙ্গলবার (৫ মার্চ) ৯এমএম পিস্তল ও ১০ রাউন্ড গুলি স্ক্যানিং মেশিনে ধরা পড়েনি। আর ওই ঘটনায় এক নিরাপত্তাকর্মীকে বরখাস্ত ও তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বেসামরিক বিমান কর্তৃপক্ষ।

পিস্তল থাকার কথা বিষয়টি ইলিয়াস কাঞ্চন নিজেই জানান। আর এরপরই বিষয়টি নজরে আসে। তবে বিষয়টি অন্যভাবে বলছেন বিমান সচিব মহিবুল হক।

তিনি বলেন, কারো কাছে অস্ত্র থাকলে সেটি কর্তৃপক্ষকে অবহিত করতে হয়। কিন্তু ইলিয়াস কাঞ্চন লাগেজটি স্ক্যানে দিয়ে দৌড়ে সামনে চলে যান। স্ক্যানে অস্ত্রসহ ওনাকে ধরা হয়। তখন উনি বলছেন, হ্যাঁ আমার এখানে পিস্তল রয়ে গেছে। আমি সরি। তার পরে ওনার অস্ত্রটা উনি নিয়ে নেন। এরপর ওখানকার নিরাপত্তাকর্মীদের একজনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

তবে বিমান সচিবের এমন বক্তব্যে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন ইলিয়াস কাঞ্চন। তিনি বলেন, আমার পিস্তলবাহী ল্যাপটপের ব্যাগটি দ্বিতীয়বার স্ক্যানারে দেয়াই হয়নি।

ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, প্রথম স্ক্যানার পার হওয়ার পর আমার মনে পড়ে, আমার ব্যাগে পিস্তল আছে। তখন আমি চিন্তা করি স্ক্যানারে কেন ধরা পড়লো না। তাৎক্ষণিক আমি নভোএয়ার কাউন্টারে গিয়ে জানালে তারা নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের ফোন করেন। এরপর তারা সেখানে আসেন।

তিনি বলেন, কেন স্ক্যানারে বিষয়টি ধরা পড়েনি তা নিয়ে আমি তাদের কাছে অভিযোগ করেছি। আমি তাদের কাছে জবাব চেয়েছি। বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা এমন দুর্বল থাকবে কেন?

জনপ্রিয় এ চিত্রনায়ক বলেন, ‘নিরাপত্তার কারণে আমি বৈধ পিস্তলটি ব্যবহার করি। পিস্তলটি থানায় জমা ছিল। সম্প্রতি ফেরত পাওয়ার পর আমি ব্যাগে রাখি। মঙ্গলবার আমি ওই ব্যাগটি নিয়ে বের হই। যখন আমি বিমানবন্দরে প্রবেশ করি তখন আমার প্রথমে মনে পড়েনি যে আমার ব্যাগে পিস্তল আছে। প্রথম স্ক্যানার পার হওয়ার পরে মনে পড়ায় আমিই তাদের কাছে গিয়েছি।

আমি না হয়ে অন্য কেউ হতে পারতো বলে ইলিয়াস কাঞ্চন অভিযোগ করে বলেন, কোনো বড় ঘটনা ঘটতে পারতো। কোনো সন্ত্রাসীও হতে পারতো। তখন পরিস্থিতি কী হতো। আমি তাদের প্রশ্ন করেছি, কেন আমার পিস্তল স্ক্যানারে ধরা পড়েনি। আমি এটি করলাম ভালোর জন্য, এখন দেখছি জিনিসটা খারাপ হচ্ছে। এটি খুবই দুঃখজনক।

আরও পড়ুন